ডেঙ্গুজ্বরের প্রতিকার চেয়ে কর্তৃপক্ষের নিকট আবেদন

Rate this post

ডেঙ্গুজ্বরের প্রতিকার চেয়ে কর্তৃপক্ষের নিকট আবেদন

মনে কর, তুমি ঢাকা শহরে ইসলামপুরে বসবাসরত। এই এলাকায় ডেঙ্গুজ্বরের প্রকোপ বেড়ে গেছে। ডেঙ্গুজ্বর প্রতিকারের আবেদন জানিয়ে যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে সংবাদপত্রে প্রকাশের জন্য একটি পত্র লেখ।

তারিখ : ০৮, ০৬, ২০২২

বরাবর

সম্পাদক

দৈনিক মানবজমিন

৪০ কাওরানবাজার

কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ

ঢাকা।

বিষয়: সংযুক্ত পত্রটি প্রকাশের আবেদন।

জনাব,

আপনার জনপ্রিয় এবং বহুল প্রচারিত স্বনামখ্যাত ‘দৈনিক মানবজমিন’ পত্রিকার ‘চিঠিপত্র’ শীর্ষক কলামে নিম্নলিখিত পত্রটি প্রকাশ করে যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণে সহযােগিতা করলে এলাকাবাসীর কাছে অশেষ কৃতজ্ঞভাজন হয়ে থাকবেন।

নিবেদক

এলাকাবাসীর পক্ষে,

আবুল হাশেম সরকার

ইসলামপুর, ঢাকা।

ডেঙ্গুজ্বরের প্রতিকার চাই

রাজধানী ঢাকার ইসলামপুর একটি জনবহুল এবং ব্যস্ততম বাণিজ্যিক এলাকা। এই এলাকার জরাজীর্ণ রাস্তা , রাস্তার দু’পাশে নােগ্রা পরিবেশ, অবৈধ ডাস্টবিন, বস্তির সাধারণ মানুষের অসচেতনতা এবং খােলা ড্রেন মশা উৎপাদনের সহায়ক পরিবেশে পরিণত হয়েছে। ফলে এই এলাকায় মশার উপদ্রব আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। মশার অত্যাচার সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে সর্বস্তরের জনজীবন অতিষ্ঠ করে তুলেছে। শুধু তাই নয়; গত কয়েকদিনে ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হয়ে ৭/৮ জন লােক মারা গেছে এবং শতাধিক রােগী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এই এলাকায় ডেঙ্গুজ্বর যে পরিবেশ সৃষ্টি করেছে তাতে অত্র এলাকার অধিকাংশ মানুষ আতঙ্কগ্রস্ত। এই ডেঙ্গুজ্বর একটি মশাবাহিত ভাইরাসজনিত রােগ। চিকিৎসকদের ধারণা, নােংরা পরিবেশ এবং নােংরা পরিবেশে পড়ে থাকা ডাবের খােসা, নারকেলের মালা, ভাঙা কলস, পরিত্যক্ত কৌটা এবং ডাস্টবিনের ময়লা-আবর্জনায় জমে থাকা অল্প পানিতে এডিস মশা ডিম পাড়ে এবং এখানে বড় হয়ে বিস্তার লাভ করে। আর মশা যেহেতু অবাধে বিচরণ করে সেহেতু এই মশার বিষাক্ত আক্রমণে সর্বস্তরের মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে। ডেঙ্গ মশার আতঙ্কে এলাকার মানুষের জীবনযাত্রা মারাত্মকভাবে স্থবির হয়ে পড়েছে। এই অবস্থা চলতে থাকলে এলাকায় ভয়াবহ পরিবেশ সৃষ্টি হবে।

অতএব, ডেঙ্গুজ্বর প্রতিকারের উদ্দেশ্যে জনসচেতনতা সৃষ্টি এবং মশক বিনাশমূলক প্রয়ােজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে জনজীবনে স্বাভাবিকতা ফিরিয়ে আনতে কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করছি।

বিনীত

এলাকাবাসীর পক্ষে,

ইসলামপুর, ঢাকা।

Leave a Comment