কিভাবে স্মার্ট হওয়া যায় | স্মার্ট হওয়ার ৮টি উপায়

কিভাবে স্মার্ট হওয়া যায়

কিভাবে স্মার্ট হওয়া যায় – How to be Smart? কিভাবে নিজেকে সুন্দর করা যায়? কিভাবে বিনয়ী হওয়া যায়? কিভাবে অন্যদের তুলনায় নিজেকে আরোও স্মার্ট ও বুদ্ধিমান করা যায়? যুগ-উপযোগি ও সময়-উপযোগি উক্ত প্রশ্নগুলোর উত্তর প্রত্যেকেরই জানা উচিত। যে যে উপায়গুলো অ্যাপ্লাই করার মাধ্যমে সহজে স্মার্ট হওয়া যায়, তার উপায়গুলা জানা সবারই দরকার। চাইলেই কেউ স্মার্ট দাবি করতে পারে না। স্মার্ট হওয়ার জন্য যে যে গুণাবলি দরকার, তা নিজের মধ্যে উপলব্ধি এবং বাস্তবায়ন করতে হবে। ( ছারপোক দূর করুন সহজেই এবং দাঁতের যত্ন নিন )                               

তাহলে আলটিমেটলি বিষয়টা দাড়ায় হলো, স্মার্ট হওয়ার পদ্ধতি জানার পর তা অবশ্যই নিজের মধ্যে সম্পূর্ণভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে। ( সকল সিমের ইমারজেন্সি ব্যালেন্স কোড সম্পর্কে জানুন )

স্মার্টনেস বা স্মার্ট বলতে কী বুঝায়?

স্মার্টনেস কে অনেকে অনেকভাবে ব্যাখ্যা করে থাকে। যেমন অনেকে ভেবে থাকে স্মার্ট বলতে সৌন্দর্যপূর্ণ সাজ-সজ্জাকে। আবার কেউ বা মনে করে স্মার্ট তাঁরাই, যারা উচ্চ শিক্ষিত। মূলত স্মার্টনেসের মূল অর্থই হলো সঠিক বিবেক-বুদ্ধি দিয়ে তাঁর মধ্যে বাহ্যিক এবং অভ্যন্তরিণ পরিবর্তন নিয়ে আসা।

সুতরাং স্মার্ট বলতে বুঝায় কোনো একজনের জীবনকালে সুন্দর আচরণ, কার্যক্রম, মানুষের সাথে ব্যবহার, নির্ভুলতা, দক্ষতা, ভালো মনের অধিকারিত্ব ইত্যাদিকে একত্রে আয়ত্বকারীকে স্মার্ট ব্যক্তি বলে

একজন স্মার্টনেস ব্যক্তির আচরণ থাকবে নম্রতা ও ভদ্রতা। একই ভাবে কথা বলার সময় পারিপার্শ্বিক দিক ও ভাষাগত দিক লক্ষ্য রেখে কথা বলে। দৈন্দন্দিন তার কার্যক্রমে থাকবে সু-দক্ষতা ও শৈল্পিকভাব-গাম্ভির্য। তার ক্যারিয়ারের কাজের প্রতি থাকবে তার শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা। উপকারি মনোভাব থাকবে সব-সময়। সামগ্রিকভাবে উপরোক্ত সববিষয়গুলোকেই স্মার্ট বা স্মার্টনেসের উপাদান বলা হয় আর যে এগুলো সঠিকভাবে আয়ত্ত করতে পারবে বা পারে তাকে বলা হয় স্মার্টনেস ব্যক্তি।

স্মার্ট-নেস হওয়ার উপায়

স্মার্ট-নেস হওয়ার উপায়

স্মার্টনেস হওয়ার জন্য স্বাভাবিকভাবে যা দরকার তা হলো নম্রতা, ভদ্রতা, ভাষার মাধুর‌্যতা বা মার্জিত ভাষা, অন্যদের সাথে কথা বলার সময় সঠিক তথ্য সম্মলিত কথা-বার্তা বলা, সত্য কথা বলা। আরো আছে ওয়াদা ভঙ্গ না করা, মারপিট না করা, পরিষ্কার কাপড় পড়া, সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠে প্রার্থনা করা, অন্যায় দেখলে তা প্রতিবাদ করার মন-মানসিকতা থাকা। এগুলো হলো বাহ্যিকভাবে স্মার্টনেস হওয়ার উপকারি ‍মৌলিক উপাদান।

অভ্যন্তরীণভাবে আছে সর্বদা ধৈর্য ধারণ করা, অন্যের কথা মনোযোগ দিয়ে শুনা, প্রতিনিয়ত মেজাজ ঠান্ডা রাখা, প্রজেটিভ মাইন্ড রাখা, দীঢ় প্রত্যয়ি হওয়া, কার্য সম্পাদনে চটপটে হওয়া ইত্যাদি হলো স্মার্টনেস হওয়ার জন্য অভ্যন্তরীণ উপাদান।

উপরোক্ত বিষয়গুলো মূলত একজন কিভাবে স্মার্ট হতে পারে তার নমুনা। তবে আলোচনার সুবিধার্থে আজকের আর্টিকেলে আমরা স্মার্ট হওয়ার ৮টি উপায় নিয়ে কথা বলবো। স্মার্ট হওয়ার উপায়গুলো হলো-

  • সব-সময় নতুন কিছু জানার চেষ্টা করুণ।
  • ইতিবাচক অথবা পজেটিভ চিন্তায় অভ্যস্ত হোন।
  • নতুন নতুন বই পড়ুন।
  • নতুন আইডিয়া জেনারেট করুণ ।
  • তর্ক এড়িয়ে চলুন।
  • ব্যবহার এবং মেজাজ ঠান্ডা রাখুন।
  • ওয়াদা সঠিকভাবে পালন করুণ।
  • নিজেকে আরো বিনয়ী করুণ।

উপরোক্ত এই আট টি উপায় ছাড়াও আরো অনেক রকম ইফেক্টিভ উপায় বা পদ্ধতি আছে, যেগুলো মান্য করার মাধ্যমে স্মার্ট হওয়া সম্ভব।

প্রতিনিয়ত নতুন কিছু জানুন বা শিখুন

একটা প্রবাদ আছে, “দোলনা হতে শুরু করে কবর/মৃত্যু পর্যন্ত শিখার বয়স” অর্থাৎ মৃত্যুর আগ পর্যন্ত আমাদেরকে ইলম বা জ্ঞানের জন্য তালাশ করতে হবে। প্রতিটি কাজ থেকে শিক্ষা নিতে হবে। মানুষের সাথে চলাফেরা, কথা-বার্তা ইত্যাদি থেকে প্রতিনিয়ত এবং প্রতিটি সময়ে শিখতে হবে। যেকোনো অবস্থাতেই শিখতে হবে। একাডেমিক শিক্ষায় পরিতিপ্ত হওয়া যাবে না। একাডেমিক শিক্ষা প্র্যাক্টিকেল শিক্ষা কখনো দিতে পারে না। বাস্তব অভিজ্ঞতা এবং শিক্ষার জন্য জীবনমুখী শিক্ষার ভূমিকা অপরিসীম।

নতুন কিছু জানার অনেকগুলো রিসোর্স আছে। যেমন বই, ইন্টারনেট, নিউজ বা খবরের কাগজ, ধর্মীয় পবিত্র কিতাব, রাজনৈতিকভাবে লিখিত বই, বিভিন্ন আলোচনা সভায় উপস্থিত থেকে সেখান থেকে অভিজ্ঞতা নেওয়া ইত্যাদি ভাবে শিখতে হবে।

স্মার্ট হওয়া অনেক সহজ নয় আবার অনেক কঠিনও নয়। দরকার আপনার প্রবল ইচ্ছাশক্তি ও কার্যক্ষমতা। স্মার্ট হওয়ার জন্য প্রথমেই আমাদের করণীয় হলো শিখতেই হবে। হতে পারে সেটা আচার-আচরণ, সুমিষ্ট ব্যবহার। সর্বদা অন্যদের থেকে নিজেকে সর্বক্ষেত্রে উপরে রাখতে হবে। সেটা কীভাবে ? সর্বক্ষেত্রে। এই জন্যই শিখতে হবে। শিখে অভিজ্ঞতা বাড়াতে হবে। অন্যদের থেকে বেশি জানতে হবে। বৈশ্বিক সৃজনশীল জ্ঞান রাখতে হবে। পৃথিবীর আপডেট খবর এবং তথ্যগুলো সম্পর্কে জ্ঞান রাখতে হবে। মনে রাখবেন, অন্যদের থেকে যত বেশি জানবেন, তাদের থেকে সর্বদা একধাপ আপনি এগিয়ে থাকবেন।

ইতিবাচক চিন্তাশক্তি বাড়ান

ইতিবাচক চিন্তা চেতনাময় মানুষই জীবনের প্রত্যেকটি স্টেজে সফলতা পায়। পরিপূর্ণ একজন মানুষ হতে প্রয়োজন পজেটিভ চেতনা, বিবেক এবং বুদ্ধি। যেমন একজন বিচারকের নিকট উক্ত গুণটি থাকা অপরিহার্য। নেগেটিভ মানসিকতা বাদ না দিয়ে একজন উত্তম মানুষ হওয়া সম্ভব নয়। তাহলে কীভাবে ইতিবাচক চিন্তাশক্তি বাড়াবো?

এইক্ষেত্রে আমরা কতগুলো নিয়ম-নীতি অনুসরণ করতে পারি। যেমন-

  • যখন আমরা অন্যদের থেকে কথা শুনবো, তখন আমাদের কে অবশ্যই তাদের কথাগুলো মনোযোগ সহকারে শুনতে হবে সেই সাথে কী বুঝাতে চাচ্ছে তা পজেটিবলি নিয়ে ভাবতে হবে। কোনো অবস্থাতেই নেগটিব ভাবা যাবে না।
  • একইভাবে অন্যদের সাথে ব্যবহারের ক্ষেত্রে উক্ত রুলটি ফলো করতে হবে।
  • সর্বদা বই পড়তে হবে। বই পড়ে তার তাৎপর্য বুঝতে হবে। মূল থিমটি বুঝার চেষ্টা করতে হবে।
  • গালি-গালাজ করা থেকে বিরত থাকতে হবে। পর্ণগ্রাফিমূলক সিনেমা দেখা বন্ধ করতে হবে। যার যার ধর্ম অনুযায়ী চলতে হবে। ধর্মগ্রন্থগুলো পড়তে হবে। আর এভাবেই ইতিবাচক চিন্তাশক্তি বাড়ানো যাবে।

নতুন নতুন বই পড়ুন

বই পড়ে সৃজনশীল জ্ঞান বৃদ্ধি করার মাধ্যমে নতুন নতুন আইডিয়া জেনারেট করা সম্ভব। জ্ঞান বৃদ্ধি করার ক্ষেত্রে বইয়ের ভূমিকা অবিশ্বাস্য। একজন জ্ঞান পিপাসুর কাছে বই হলো আলোর দিশারীর মতো। এজন্যই এ পি জে আবদুল কালাম বলেছেন,

” একটি বই একটি বন্ধুর সমান এবং একটি ভালো বন্ধু পুরো একটি লাইব্রেরির সমান”

নতুন কিছু আয়ত্ত করার সবচেয়ে সেরা এবং জনপ্রিয় মাধ্যম, উপায় বা পদ্ধতি হলো বই পড়া।এর বিকল্প অন্য কিছু নেই। জ্ঞানের বিকাশের ক্ষেত্রেও বইয়ের ‍গুরুত্ব অপরিসীম। একজন স্মার্ট এবং পরিপূর্ণ মানুষ হতে হলে বইয়ের বিকল্প অন্য কিছুই নেই। এছাড়াও বর্তমান যুগ হলো সৃজনশীলতার যুগ। বই পড়ার মাধ্যমে সৃজনশীল জ্ঞান আয়ত্ত করা যায়। সামগ্রিকভাবে, বই পড়ার অভ্যাস এবং নতুন কিছু জানা, এ গুণ দুটি যার মধ্যে আয়ত্ব থাকে, সে অন্য সবার থেকে এক ধাপ এগিয়ে থাকে। সুতরাং অন্তত স্মার্ট হওয়ার জন্য আমাদের বই পড়ার অভ্যাস গড়তে হবে।

নতুন নতুন আইডিয়া জেনারেট করা

এই গুণটি হলো সবচেয়ে কার্যকারী এবং শক্তিশালী একটি গুণ। স্মার্ট হওয়ার ক্ষেত্রে নতুন নতুন আইডিয়া জেনারেট করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সমাজে কিংবা আমাদের কাজের ক্ষেত্রে যদি আমরা চলমান একটি প্লান থেকে সহজ এবং আরো বেশি উপকারি আইডিয়া বের করতে পারি, তাহলে অবশ্যই সবাই সেটার জন্য বাহ্ বাহ্ দিবে।  আর শুধু এটাই না। নতুন আইডিয়া জেনারেট করার ক্ষমতা প্রত্যেক ব্যক্তির থাকে না। যদি এমন কেউ থাকে যে, উপরোক্ত ৩টি উপায় আয়ত্ত করতে পেরেছে, তাহলে কিছুটা ধরা যায় যে, সে নতুন আইডিয়া জেনারেট করতে সক্ষম।

এর জন্য মস্তিষ্ককে আরো তীক্ষ করতে হবে। ব্রেনের ব্যবহার বাড়াতে হবে। পূর্বের পড়াগুলো রিভেশান দিতে হবে। কোনো একটা বিষয়কে নিয়ে ডিপলি চিন্তা করা পাশাপাশি কার্যসাধনে এবং পরিপূর্ণতার জন্য নেমে পড়া। কোনো একটা নতুন বিষয় নিয়ে অন্যদের সাথে আলোচনা করা। আর এভাবেই নতুন নতুন আইডিয়া জেনারেট করা সম্ভব।

তর্ক এড়িয়ে চলুন

জ্ঞানহীন ‍মূর্খ ছাড়া কেউই সাধারণত তর্কে নিজেকে জড়াতে চায় না। কারো সাথে কথা বলার সময় অপ্রয়োজনীয় কথা বলা থেকে বিরত থাকুন। আপনি যার সাথে কথা বলবেন, তার সাথে যদি অপ্রাসঙ্গিক এবং অপ্রয়োজনীয় কথা বলেন, তাহলে সে আপনাকে বিরক্তকর ভাববে এবং আপনার সম্পর্কে তার নিকট একটি নেগেটিভ মনোভাব তৈরি হবে। সুতরাং কথা বলার আগে প্রথমেই চিন্তা করুণ কথাটা প্রাসঙ্গিক কি-না, এর সত্যতা যাচাই করুন, অগোচালোভাবে কথা বলা পরিহার করুণ। কোনো ভাবেই তর্কে জাড়নো যাবে না।

পবিত্র কোরআন শরীফে বলা আছে, “ রহমানের বান্দা তারাই, যারা পৃথিবীতে নম্রবাবে চলাফেরা করে এবং তাদের সাথে মূর্খরা যখন কথা বলতে থাকে তখন তারা বলে ‘সালাম’ ” সূরা ফুরকানের ৬৩ নাম্বার আয়াত।

( হাসবুনাল্লাহু এর গুরুত্বপূর্ণ কিছু ফজিলত সম্পর্কে জানার চেষ্টা করুন )

অনর্থক কথা বার্তা বলা যাবে না। যেখানে দরকার সেখানে অবশ্যই তর্ক করতে হবে। তবে জায়গা ভেদে তর্কে জড়ানো থেকে বিরত থাকতে হবে। অসাড় এবং অপ্রয়োজনীয় কথা বার্তা বিতর্ক সৃষ্টি করে। সুতরাং প্রসঙ্গ মূলক আলোচনা করতে হবে। মূর্খদের থেকে দূরে থাকতে হবে। এখানে মূর্খ বলতে কম শিক্ষিতদের কথা বলা হয় নি। বরং মূর্খরা আজকের দিনের উচ্চ ‍শিক্ষিতদের চেয়ে অনেকগুনে ভালো এবং সচেষ্ট। মূর্খ বলতে অপ্রয়োজনে তর্ক বা ঝগড়ায় জড়ানোদের বুঝানো হয়েছে।

ব্যবহার এবং মেজাজ ঠান্ডা রাখুন

গ্রাম্য একটা প্রবাদ আছে, “ ব্যবহারেই বংশের পরিচয়” । এই দিকটি খেয়াল রাখতে হবে একজন স্মার্ট ব্যক্তি হিসেবে। সবার সাথে ভালো ও সুমিষ্ট ব্যবহার অন্যের মনে জায়গা করার একটি বেস্ট উপায়। সমাজে অনেকে আছে তাদের পছন্দ অনুযায়ী এবং বেচে বেচে মানুষকে সম্মান-শ্রদ্ধা করে থাকে। কিন্তু এই ক্ষেত্রে উচিত হলো সমাজের তথা রাষ্ট্রের সবার সাথেই ভালো ব্যবহারের মাধ্যমে সুসম্পর্ক বজায় রাখা। এটি হলো স্মার্ট হওয়ার একটি উপায়।

একইভাবে ঠান্ডা মেজাজ রাখাও একটি গুরুত্বপূর্ণ গুণ স্মার্ট হওয়ার ক্ষেত্রে। কারো সাথে উত্তপ্ত মেজাজে কথা বার্তা বললে ভালোবাসা পওয়ার বদলে ঘৃণা পাবো। তাই অফিস কিংবা বাসা –বাড়িতে যারা আছে তাদের সাথে কোমল ব্যবহার করতে হবে। ঠান্ডা মেজাজে কথা বলতে হবে। তাহলে সমাজের মানুষদের মনে আমাদের জন্য একটি জায়গা তৈরি হবে। আর এটা আপনাকে স্মার্ট হওয়ার জন্য এক ধাপ এগিয়ে রাখবে।

ওয়াদা সঠিকভাবে পালন করুণ

সমাজে বিশ্বস্ততা অর্জন ও স্মার্ট হওয়ার জন্য সবচেয়ে ভালো উপায় হলো অন্যদের দেওয়া ওয়াদা যথারীতে পালন করা । আমাদের মাঝে এমন অনেক ব্যক্তি আছে, যারা সচার-আচর সবাইকে ওয়াদা দিয়ে থাকে, কিন্তু ওয়াদা পূর্ণ করার সময়ে তাদের ওয়াদা পূর্ণ করে না। এমন ব্যক্তিকে মোটামোটি সমাজের সবাই ঘৃণার দৃষ্টিতে দেখে।

অন্যদের ওয়াদা দেওয়ার আগে অবশ্যই কয়েকবার ভাববেন, আপনি সে ওয়াদা রক্ষা করতে পারবেন কী-না, আপনার সামর্থ্যের মধ্যে আছে কী-না ইত্যাদি। এসব বিষয় মাথায় রেখে অন্যদেরকে ওয়াদা দিতে হবে। তাহলে পারসেনটিজে অনেকটা পজেটিভ রিপোর্ট আসে। সঠিকভাবে এবং যথানিয়ম অনুযায়ী ওয়াদা পালন করতে পারলে স্মার্ট হওয়ার ক্ষেত্রে অন্যদের চেয়ে অনেকগুণ বেশি এগিয়ে থাকবেন।

নিজেকে আরো বিনয়ী করা

কিভাবে নিজেকে বিনয়ী করা যায়? নিজেকে বিনয়ী করার জন্য প্রথমে আপনাকে আপনার জীবনের লক্ষ্য ঠিক করতে হবে। এরপর আপনার আশেপাশে লোকজনদের মন জয় করার চেষ্টা করুণ। পুরো সমাজের না পারেন কিন্তু অন্তত আপনার আশ-পাশের লোকজনদের সেবা করার চেষ্টা করুণ। মানুষদের খেদমতের মাধ্যমে মানুষের সবচেয়ে বেশী বিনয়ী ভাব প্রকাশ পায়।

অন্যের সেবা করার মাধ্যমে নিজে সুখ পাওয়া ফিল করতে হবে। মানবসেবায় নিজেকে বিলিয়ে দিতে হবে। এবং এসব বিনয়ের মাধ্যমে তৃ্প্তি অনুভব করা যায়। নিজেক একজন স্মার্ট এবং বুদ্ধিমান করতে উক্ত গুণটি অবশ্যই অবশ্যই আয়ত্ত করতে হবে।

স্মার্ট

নিজেকে বিনীয় করার মাধ্যমে পৃথিবীর প্রকৃত সুখ পাওয়া যায়। উপরোক্ত উপায়গুলোর মাধ্যমে একজন নিজেকে বিনয়ী করতে পারবে।

উপরোক্ত ৮টি গুণ বা উপায়ে যেকেউ নিজেকে স্মার্ট ব্যক্তি হিসেবে তৈরি করতে পারে এবং তার কম্পিটিটরদের থেকে নিজেকে একধাপ এগিয়ে রাখতে পারে। সুতরাং কিভাবে স্মার্ট হওয়া যায়, তার সম্পর্কে সম্পূর্ণ ধারণাটি এখান থেকে নিয়ে সে প্রেক্ষিতে নিজেকে ধারণ করে একজন স্মার্ট ব্যক্তি হতে হবে।

স্মার্ট হওয়ার উপায় সম্পর্কে আরো জানতে দেখুন

About রবীন্দ্র

Check Also

ছারপোকা তাড়ানোর উপায়

ছারপোকা তাড়ানোর উপায় | দমন করুন মাত্র ২টি উপায়ে

ছারপোকা তাড়ানোর উপায় খুঁজছেন? বাসা-বাড়িতে মাত্রাতিরিক্ত উপদ্রব? কীভাবে এসব ক্ষতিকর পতঙ্গ হতে মুক্তি পাওয়া যায় তার উপায় খুঁজছেন? ওয়েল, এসব প্রশ্নের উত্তর যদি হ্যাঁ হয়ে থাকে, তাহলে আজকের আর্টিকেলটি আপনার সুবিধার্থেই লেখা।

Leave a Reply

Your email address will not be published.